সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

দশটি অজানা ঘটনা আপনিও জানেন না

সাম্প্রতিক পোস্টগুলি

ডার্টি বোম্ব কি

  বর্তমান সময়ে আপনি ডার্টি বোম্ব শব্দটি অবশ্যই শুনেছেন , কিন্তু জানেন কি ডার্টি বোম্ব কি ? কিভাবে কাজ করে এই ডার্টি বোম্ব ? ডার্টি বোম্ব এর মধ্যে প্রচলিত বিস্ফোরক যেমন ডিনামাইট এবং তেজস্ক্রিয় পদার্থ যেমন ইউরেনিয়াম থাকে , যার কারোনে নিউক্লিয়ার বোমের থেকে ডার্টি বোম্ব অনেক সস্তা এবং পরিবহন করতে অনেক সুবিধা হয়। যখন ডার্টি বোম্ব বিস্ফোরিত হয় তখন এর মধ্যে থাকা পদার্থ গুলো বাতাসে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে , যদিওবা এটি ভয়ানক কিন্তু নিউক্লিয়ার বোমের মতো বিধ্বংসী নয়। ডার্টি বোম্ব সাধারণত সাইকোলোজিকাল অস্ত্র হিসাবে ব্যবহৃত হয় , বিস্ফোরণের পর বিস্ফোরিত অঞ্চলে রেডিওএক্টিভ বেড়ে যায় এবং নিঃশ্বাস  এর সঙ্গে মানুষের শরীরে প্রবেশ করতে পারে যা খুব ভয়ানক। 

যে গ্রামে কোনো রাস্তা নেই !!!

 যে গ্রামে কোনো রাস্তা নেই !!! আপনি জানেন কি কোনো রাস্তাহীন কোনো গ্রাম সম্পর্কে ? বোলবেন লোকজোনের চলাচলের জন্য রাস্তা চাই , রাস্তা ছাড়া গ্রাম কিভাবে সম্ভব। হ্যা সম্ভব রাস্তা ছাড়া গ্রাম সম্ভব, এরকম একটি গ্রাম নেদারল্যান্ডে রয়েছে।  গ্রামটির নাম হোলো গিএথোর্ন।  নেদারল্যান্ডের এই গিএথোর্ন গ্রামে কোনো রাস্তা নেই , রাস্তার পরিবর্তে আছে খাল। একস্থান থেকে অন্যস্থানে যেতে হোলে এই খাল দিয়ে নৌকায় করে যেতে হবে। এই গ্রামটিতে ছোটো বড়ো সব খাল মিলিয়ে লম্বায় প্রায় ছয় কিলোমিটারের বেশি খাল রোয়েছে।  ভেনিস শুধু একমাত্র জায়গা নয় , যেখানে নৌকা নিয়ে ঘুরতে হয়।  তবে ভেনিসএ  আপনি রাস্তাও পাবেন  কিন্তু নেদারল্যান্ডের এই গিএথোর্ন গ্রামে আপনি ভেনিস এর মতো কোনো রাস্তা বা ফুটফাত খুঁজে পাবেন না।  ছবির মতো সুন্দর এই গিএথোর্ন গ্রামে বড়ো বড়ো গাছ দিয়ে ঘেরা প্রচুর গ্রামীণ কুটির রোয়েছে যা দেখে আপনার রূপকথার গ্রামের মতো মনে হবে। 

নীল তিমির ধমনী দিয়ে আপনি সাঁতার কাটতে চান ?

 জানেন কি নীল তিমির ধমনী দিয়ে আপনি সাঁতার কাটতে পারেন ? হ্যা ঠিকই শুনেছেন , নীল তিমির ধমনী এতো বড়ো যে একটি পূর্ণাঙ্গ বয়সের মানুষ তার মধ্যে দিয়ে সাঁতার কাটতে পারে। পৃথিবীতে জীবিতো প্রাণীদের মধ্যে নীল তিমি সবথেকে বড়ো বিশালাকার প্রাণী এমোনকি বেশীরভাগ ডাইনোসর থেকেও বড়ো।  নীল তিমি লম্বায় প্রায় একশো ফুট এর বেশী হয় এবং ওজনে প্রায় একশো আশি টনের বেশী হয়। নীল তিমির দেহের প্রায় সবকিছু আকারে বড়ো হয় এমোনকি হার্ট এবং ধমনীও। প্রতিটি নীল তিমি গড়ে প্রায় সত্তোর থেকে নব্বই ফুট লম্বা হয় এবং গড় ওজন একশো থেকে একশো পঞ্চাশ টন এর মধ্যে হয়।    নীল তিমির  এতো বড়ো বিশালাকার দেহে রক্ত সঞ্চালনের জন্য বড়ো হার্ট এবং তার সঙ্গে ধমনীও প্রয়োজন। এজন্য নীল তিমির শুধু মহাধমনী এর ব্যাস নয় ইঞ্চিরও বেশী এবং হার্টের ওজনও চারশো পাউন্ড এর বেশী হয়। নীল তিমির হার্ট আকারে প্রায় ছোটো গল্ফ কার্ট বা গো কার্ট এর মতো হয়। নীল তিমির হৃদস্পন্দন প্রায় দুই মাইল দূর থেকে শোনা যায়।  নীল তিমির গায়ের রং কিন্তু নীল নয় , এর গায়ের রং হোলো ধূসর নীল , সমুদ্রের জলে নিমজ্জিত থাকে জন্য একে দেখতে গাঢ় নীল রং এর লাগে। সবথেকে বড়ো...

রামধনুর নদী

 রামধনুর নদী , হ্যা সত্যি রামধনুর নদী যার জল দেখলে আপনার মনে হবে যে রামধনু পৃথিবীর পৃষ্ঠে চোলে বা নেমে এসেছে এবং গোলে গিয়ে তরল জল আকারে প্রবাহিত হচ্ছে। আমরা সবাই রামধনুর সাথে পরিচিতো এবং সাধারনতো বৃষ্টির পর আকাশে দেখে অভ্যস্ত , কিন্তু এই রামধনু আকাশে নয় রয়েছে একটি নদীতে।  নদীটির  নাম হোলো ক্যানো ক্রিষ্টালেস , নদীটি কোলোম্বিয়াতে সেরানিয়া ডে লা ম্যাকারেনা জাতীয় উদ্দানের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হোয়েছে। নদীটি বিভিন্ন নামে প্রচোলিত যেমন পাঁচটি রং এর নদী , তরল রামধনু , গোলিত রামধনু। নির্দিষ্ট আলোয় এবং পরিষ্কার জলে আপনি উজ্জ্বল সবুজ , হলুদ ,উজ্জ্বল নীল ,কমলা , লাল  এবং বেগুনি রং এর জল নদী দিয়ে প্রবাহিত হোতে দেখা যায়।  যদিও বা এটি দেখে আপনার কোনো জাদু বোলে মোনে হোতে পারে , কিন্তু এটি কোনো ম্যাজিক বা জাদু নয়। নদীটির জলের রং এরোকম হোবার কারণ হলো নদীটির তলোদেশে থাকা ম্যাকারেনিয়া ক্লাভিগেরা নামক জলজ উদ্ভিদ। সঠিক জলের গভীরতা এবং আবহাওয়া ঠিক করে দেয় আপনি কোন কোন রং দেখবেন।  ম্যাকারেনিয়া ক্লাভিগেরা নামোক এই জলজ উদ্ভিদ নদীর তলোদেশে থাকা বিলিয়ন বছরের পুরানো কোয়ার্টজাইট পাথরের সঙ...

হাঙ্গর সবসময় ডলফিন দেখে ভীতসন্ত্রস্ত বোধ করে কেনো ?

  আপনি জানেন কি সার্ক বা হাঙ্গর  সবসময় ডলফিন দেখে ভীতসন্ত্রস্ত বোধ করে এবং মহাসাগরে হাঙ্গরের বিচরন ক্ষেত্রে যদি কখনো ডলফিন চলে আসে , তাহলে হাঙ্গর তৎক্ষণাৎ সেই স্থান পরিবর্তন করে ডলফিন থেকে দূরে চলে যায়।  মহাসাগরের এই দুর্দান্ত প্রতাপ শক্তিশালী শিকারি হাঙ্গর কেনো শান্তশিষ্ট খেলাপ্রিয় ডলফিনকে ভয় পায়।   আমরা সবাই  ডলফিন চিনি এবং জানি , আমাদের জানামতে ডলফিন শান্ত, বুদ্ধিমান , দুরন্ত সুন্দর প্রাণী যারা সাধারণত কোনো ক্ষতি করে না।  কিন্তু মহাসাগরে এরা যখন দলবেঁধে থাকে তখন যদি হাঙ্গরের সাথে সামনাসামনি দেখা হয়ে যায় তাহলে সবাই একসঙ্গে হাঙ্গরের দেহের সর্বস্থানে আক্রমণ করে যার থেকে হাঙ্গরের বাঁচার কোনো পথ থাকে না। দেহের গঠনের দিক থেকে ডলফিন হাঙ্গর থেকে আলাদা এবং দ্রুতগামী।  ডলফিনের সামনের পাখা শক্তিশালী এবং দেহের আবরণ অনেক কোমল ও  মসৃন হওয়ায় হাঙ্গর গতিতে হেরে যায়।  এছাড়া হাঙ্গরের আকৃতি বিশাল হবার জন্য উপর বা নিচে আসতে হাঙ্গরের যে সময় লাগে তার থেকে অনেক কম সময়ে ডলফিন তার স্থান পরিবর্তন করে হাঙ্গরের উপর আক্রমণ চালিয়ে যায়।  ডলফিন দ্রুত দিক পরিবর্ত...

জানেন কি ডলফিন ঘুমোয় কিনা ?

জানেন কি ডলফিন ঘুমোয় কিনা ? যদিবা ঘুমোয় তাহোলে কিভাবে ঘুমোয় ? বাকি সব প্রাণীদের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা ভাবে ঘুমোয় ডলফিন।  আমরা ঘুমোলে কিছু সময়ের জন্য অচৈতন্য হয়ে যাই এবং আমাদের চারপাশের ঘটে যাওয়া ঘটনার সাথে অবগতও থাকি না।যখন আমরা ঘুমিয়ে থাকি আমাদের নিঃশাস প্রশ্বাস স্বাভাবিক ভাবে বা অটোমেটিক ভাবে হয়। ডলফিন কিন্তু এভাবে ঘুমোতে পারে না। তাদেরকে সবসময় সজ্ঞানে থাকতে হয় , এমনকি ঘুমোনোর সময়ও। কারন ডলফিনের নিঃশাস প্রশ্বাস স্বাভাবিক ভাবে বা অটোমেটিক ভাবে হয় না , সজ্ঞানে সর্বদা এই নিঃশাস প্রশ্বাস নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। অন্যকথায় নিজে নিজেই ঠিক করতে পারে কখন নিঃশাস নিতে হবে , সুতরাং সেটি করতে গেলে অবশ্যই সজ্ঞানে থাকতে হবে সর্বদা। যদি ডলফিন মানুষের মতো গভীর ঘুমোতো তাহলে ডলফিন অচৈতন্য হয়ে গভীর সমুদ্রে তলিয়ে যেতো এবং নিঃশাস বন্ধ হয়ে মারা যেতো।  এই সমস্যা দূর করার জন্য ডলফিন সবসময় তার ব্রেনের অর্ধেক অংশকে একবারে ঘমোতে পাঠায় এবং অন্য অংশ এই সময়ে সজ্ঞানে থাকে নিঃশাস প্রশ্বাস পরিচালনা করার জন্য। এইসময়ে ডলফিনের একটি চোখ খোলা থাকে অন্যটি বন্ধ থাকে।  ডলফিনের বাম চোখ খোলা থাকলে ডানপাশের মস্তিষ্কের ব্র...