সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

How to Increase Your Cellphone Network(কিভাবে আপনার এন্ড্রয়েড স্মার্টফোনের নেটওয়ার্ক সিগন্যাল বৃদ্ধি করবেন )


ফোনের সিগন্যাল টাওয়ার এর ক্ষমতা বৃদ্ধি করুন: এই মহাকাশ যুগে আমরা সবাই খুব ভালো করে এটা জানি যে ফাস্ট এবং স্থির সেল ফোন টাওয়ারের সিগনাল কানেকশন এর  প্রয়োজনিয়তা কতখানি আমাদের দৈনন্দিন জীবনে।  বর্তমান প্রাপ্তবয়স্ক জনসংখ্যার ৮০% মানুষের স্মার্টফোন রয়েছে। আপনি যদি আপনার সেল ফোনের সিগন্যাল টাওয়ার বাড়াতে চান , সেল ফোন বুস্টার এর সাহায্য ছাড়াই , তাহলে আপনার জন্য নিচের পদ্ধতি গুলো যা আপনাকে তৎক্ষণাৎ টাওয়ার পেতে সাহায্য করে।

জানালার কাছে যাওয়া: আমাদের বাড়ির দেওয়াল রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি বাধা দেওয়ার প্রধান কারিগর। জানালার পাশে গেলে কাছাকাছি থাকা সেল টাওয়ারের সাথে আপনার স্মার্টফোন একটি বাধাহীন নিরবিচ্ছিন্ন যোগাযোগের পথ সৃষ্টি করে। আপনার কাছাকাছি টাওয়ারের সঙ্গে বাধা যত কম হবে,সিগন্যাল স্ট্রেংথ ততো বৃদ্ধি পাবে। নেটওয়ার্ক সিগন্যাল যত বেশি বাধার(যেমন কপাট, দেওয়াল ,গ্লাস ইত্যাদি )মধ্যে দিয়ে যাবে সিগন্যাল ক্ষমতা ততো কমতে থাকে।

উচ্চতা বৃদ্ধি করা: উচ্চতা কমার সাথে চারপাশের বেশি বাধার সৃষ্টি হয়। বাড়ির নীচতলায় অনেক বাধার পর আপনার ফোন সিগন্যাল পায় সেটি খুবই কম , আপনি যদি দোতালায় যান আপনার ফোনে সিগন্যাল তখনই বেড়ে যায় কারণ কাছাকাছি থাকা সেল টাওয়ারের সাথে আপনার স্মার্টফোন একটি বাধাহীন নিরবিচ্ছিন্ন যোগাযোগের পথ সৃষ্টি করে। ইমার্জেন্সি কল করতে হবে অথচ টাওয়ার নেই , কাছাকাছি কোনো উচু জায়গায়  যাবার চেষ্টা করুন। উচ্চতা বাড়লে সিগন্যাল ভালো পাবার সম্ভাবনা থাকে।

ভিড় থেকে দূরে থাকা: আপনি যখন একটি ভিড় এলাকায় থাকেন(যেমন স্টেডিয়াম, শপিংমল ) ,তখন আপনার মোবাইল এর সঙ্গে সঙ্গে আপনার চারপাশে আরো অনেক মোবাইল থাকে যেগুলির প্রত্যেকটি প্রত্যেকের নিজস্ব নেটওয়ার্ক সিগন্যাল নেবার চেষ্টা করে এবং ঐ অঞ্চলের টাওয়ারের সঙ্গে একইসময়ে মাত্রাতিরিক্ত ইউজার যুক্ত থাকে , ফলে কলড্রপ এর মতো সমস্যা দেখা দেয়। আপনি যদি এত লোকের মাঝে থাকেন এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ কল করতে চান ,তাহলে ভিড় থেকে একটু দূরে যান ,টাওয়ারের লোকেশন পরিবর্তন করুন, নির্বিগ্নে বিনা কলড্রপে কথা বলুন।

এন্টেনার কথা মাথায় রাখুন: এখনকার বেশিরভাগ মোবাইলের এন্টেনা সাধারণত ফোনের বডির ভেতরে অবস্থিত। আপনার ফোনটিকে সবথেকে কম স্পর্শ করে সোজা ভাবে ধরুন যাতে করে মোবাইল এন্টেনা আর সেল টাওয়ারের বেশি বাধা না থাকে , আর যদি ফোন কাভার ব্যবহার করেন তাহলে কাভার খুলে ফেলুন।

রিবুট সিগন্যাল: যদি উপরের সবপদ্ধতি ট্রাই করেও বিফল ,তাহলে সিগন্যাল রিবুট (এরোপ্লেন মুড্ অন এবং অন করুন ) অথবা ফোন রিস্টার্ট করুন , এটি আপনাকে নতুন সেল টাওয়ারের খোঁজ করে তার সাথে কানেক্ট করে।

কিছু চিরপ্রচলিত পদ্ধতি হলো, সবসময় ফোনের অপারেটিং সিস্টেমের আপডেট ভার্সন রাখা, লো ব্যাটারি এড়িয়ে চলা, ম্যানুয়াল সার্চ করে কাছের সেল টাওয়ার সিলেক্ট করা, খেয়াল রাখবেন যাতে ফোন ডেটা অন থাকে, মোবাইলে তারিখ এবং সময় সঠিক থাকে, সিমকার্ড বার করুন এবং আবার নতুন করে লাগান, নেটওয়ার্ক সেটিং রিসেট করুন , আপনার মোবাইলের সিগন্যাল নিশ্চই বৃদ্ধি পাবে। 

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

দশটি অজানা ঘটনা আপনিও জানেন না

জানেন কি শামুক টানা তিন বছর একটানা ঘুমিয়ে থাকতে পারে। শামুক এর বেঁচে থাকার জন্য সাধারনত আদ্র আবহাওয়ার দরকার হয়। বাতাসে আদ্রতা কোমে গেলে অথবা প্রচন্ড গরম আবহাওয়া থেকে বাঁচতে শামুকেরা শীতঘুমে যায় , এরকম অবস্থায় শামুকেরা টানা তিন বছর পর্যন্ত ঘুমিয়ে থাকতে পারে।  জানেন কি মানুষের জিব্বার ছাপ অন্নান্য যেকোনো মানুষের জিব্বার ছাপ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা হয়। মানুষের আঙুলের ছাপের মতো , জিব্বার ছাপ অথবা টং প্রিন্ট আলাদা আলাদা হয়। আমাদের জিব্বার উপরিভাগে একপ্রকার স্বতন্ত্র ফিজিওলজিক্যাল টেক্সচার এবং জিওমেট্রিক শেপ এরমতো  ইউনিক আইডেন্টিফায়িং মার্কস থাকে , যা কিনা আলাদাভাবে সনাক্তকরণের কাজে ব্যাবহার করা যেতে পারে। আপনি কি জানেন যে কুমির তার জিভ কখোনো মুখের বাইরে বের করতে পারে না। বি বি সি এর  একটি গবেষনা রিপোর্ট অনুযায়ী কুমিরের জিভ তার মুখের মধ্যে মেমব্রেন দিয়ে আটকানো থাকে তাছাড়া কুমিরের মুখোমণ্ডল সরু এবং লম্বা , এইকারণে কুমির তার জিভ কখোনো মুখের বাইরে বের করতে পারে না। মাছের আঁশ ঠোঁটে : বেশিরভাগ লিপস্টিক তৈরী হয় মাছের আঁশের বাইপ্রোডাক্ট থেকে যার মধ্যে পার্ল এসেন্স নামক রঞ্জক পদার্থ থাকে।...

নীল তিমির ধমনী দিয়ে আপনি সাঁতার কাটতে চান ?

 জানেন কি নীল তিমির ধমনী দিয়ে আপনি সাঁতার কাটতে পারেন ? হ্যা ঠিকই শুনেছেন , নীল তিমির ধমনী এতো বড়ো যে একটি পূর্ণাঙ্গ বয়সের মানুষ তার মধ্যে দিয়ে সাঁতার কাটতে পারে। পৃথিবীতে জীবিতো প্রাণীদের মধ্যে নীল তিমি সবথেকে বড়ো বিশালাকার প্রাণী এমোনকি বেশীরভাগ ডাইনোসর থেকেও বড়ো।  নীল তিমি লম্বায় প্রায় একশো ফুট এর বেশী হয় এবং ওজনে প্রায় একশো আশি টনের বেশী হয়। নীল তিমির দেহের প্রায় সবকিছু আকারে বড়ো হয় এমোনকি হার্ট এবং ধমনীও। প্রতিটি নীল তিমি গড়ে প্রায় সত্তোর থেকে নব্বই ফুট লম্বা হয় এবং গড় ওজন একশো থেকে একশো পঞ্চাশ টন এর মধ্যে হয়।    নীল তিমির  এতো বড়ো বিশালাকার দেহে রক্ত সঞ্চালনের জন্য বড়ো হার্ট এবং তার সঙ্গে ধমনীও প্রয়োজন। এজন্য নীল তিমির শুধু মহাধমনী এর ব্যাস নয় ইঞ্চিরও বেশী এবং হার্টের ওজনও চারশো পাউন্ড এর বেশী হয়। নীল তিমির হার্ট আকারে প্রায় ছোটো গল্ফ কার্ট বা গো কার্ট এর মতো হয়। নীল তিমির হৃদস্পন্দন প্রায় দুই মাইল দূর থেকে শোনা যায়।  নীল তিমির গায়ের রং কিন্তু নীল নয় , এর গায়ের রং হোলো ধূসর নীল , সমুদ্রের জলে নিমজ্জিত থাকে জন্য একে দেখতে গাঢ় নীল রং এর লাগে। সবথেকে বড়ো...

Goodbye Password (বিদায় পাসওয়ার্ড)

আর কখনোই পাসওয়ার্ড না:   কথাটা শুনেই মনে হচ্ছে, এটা কি ভাবে সম্ভব। এখনো কি সেই সময় এসেছে, পাসওয়ার্ড এর পরিবর্তে অন্য নতুন মডার্ন সিকুরিটি ফিচার ব্যবহার করিবার? চলুন দেখে নেওয়া যাক- পাসওয়ার্ড আপনার নিজস্বতা সার্বজনীন হবার হাত থেকে রক্ষা করে। আপনার নিজস্ব ব্যক্তিগত তথ্য হ্যাকারদের কাছ থেকে দূরে রাখতে পাসওয়ার্ড সাহায্য করলেও একটা ঝুঁকি থাকে এবং আপনি100% বিপদমুক্ত না।সাইবার অপরাধীরা আপনার পাসওয়ার্ড ক্র্যাক করে আপনার নিজস্ব ব্যক্তিগত তথ্য যেমন, আপনার ক্রেডিট কার্ডের তথ্য, হাতিয়ে নিতে পারে। সত্যি কথা বলতে, আপনার পাসওয়ার্ড এর সাথে দুটো জিনিস হতে পারে,- সহজ পাসওয়ার্ড যা হাকেররা নিমিষেই ক্র্যাক করতে পারে অথবা শক্তিশালী পাসওয়ার্ড যা আপনি সহজেই ভুলে যাবেন। আবার আপনি একই পাসওয়ার্ড বার বার ব্যাবহার করলে ডেটা ব্রিচ হবার সম্ভাবনা রয়েছে। অবশ্য আপনি একটি পাসওয়ার্ড ম্যানেজার ব্যবহার করতে পারেন পাসওয়ার্ড তৈরি করতে এবং তা যথাযথ জায়গায় ব্যাবহার করতে। একটি অনুমান করা যায়না এমন কঠিন পাসওয়ার্ড ও হ্যাকাররা কিলগার বা ডেটা ব্রিচ এর মাধ্যমে ক্র্যাক করে ফেলে। এসত্বেও আমাদের মধ্যে বেশিরভাগ ব্যাক্তি ন...