জানেন কি শামুক টানা তিন বছর একটানা ঘুমিয়ে থাকতে পারে। শামুক এর বেঁচে থাকার জন্য সাধারনত আদ্র আবহাওয়ার দরকার হয়। বাতাসে আদ্রতা কোমে গেলে অথবা প্রচন্ড গরম আবহাওয়া থেকে বাঁচতে শামুকেরা শীতঘুমে যায় , এরকম অবস্থায় শামুকেরা টানা তিন বছর পর্যন্ত ঘুমিয়ে থাকতে পারে।
জানেন কি মানুষের জিব্বার ছাপ অন্নান্য যেকোনো মানুষের জিব্বার ছাপ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা হয়। মানুষের আঙুলের ছাপের মতো , জিব্বার ছাপ অথবা টং প্রিন্ট আলাদা আলাদা হয়। আমাদের জিব্বার উপরিভাগে একপ্রকার স্বতন্ত্র ফিজিওলজিক্যাল টেক্সচার এবং জিওমেট্রিক শেপ এরমতো ইউনিক আইডেন্টিফায়িং মার্কস থাকে , যা কিনা আলাদাভাবে সনাক্তকরণের কাজে ব্যাবহার করা যেতে পারে।
আপনি কি জানেন যে কুমির তার জিভ কখোনো মুখের বাইরে বের করতে পারে না। বি বি সি এর একটি গবেষনা রিপোর্ট অনুযায়ী কুমিরের জিভ তার মুখের মধ্যে মেমব্রেন দিয়ে আটকানো থাকে তাছাড়া কুমিরের মুখোমণ্ডল সরু এবং লম্বা , এইকারণে কুমির তার জিভ কখোনো মুখের বাইরে বের করতে পারে না।
মাছের আঁশ ঠোঁটে : বেশিরভাগ লিপস্টিক তৈরী হয় মাছের আঁশের বাইপ্রোডাক্ট থেকে যার মধ্যে পার্ল এসেন্স নামক রঞ্জক পদার্থ থাকে। এই কারনে লিপস্টিক ঠোঁটে লাগালে দেখতে উজ্জ্বল হয়। যদিওবা বর্তমানে সিন্থেটিক ভার্সন থাকলেও এটি বেশি ব্যবহার হয় না , মাছের আঁশের বাইপ্রোডাক্ট সবথেকে বেশি ব্যবহৃত হয়।
সবথেকে বেশি পিরামিড কোথায় আছে বোলতে পারবেন কি , যদি বলেন ইজিপ্ট তাহোলে ভুল বললেন কারণ সবথেকে বেশি সংখ্যায় পিরামিড রোয়েছে সুদানের নুবিয়া অঞ্চলে। ইজিপ্টের মোট পিরামিডের সংখ্যার প্রায় দ্বিগুন দুইশো পঞ্চান্নটি পিরামিড রোয়েছে সুদানে। ইজিপ্ট এর পিরামিড বহুল প্রচলিতো কারণ ইজিপ্টের পিরামিডের আকার সুদানের পিরামিডের আকার থেকে বড়ো।
আপনার শরীরের চার ভাগের এক ভাগ হাড় আপনার পায়ে অবস্থিত। আপনার প্রতিটি পায়ে ছাব্বিশটি হাড় থাকে , দুই পায়ে তাহোলে মোট বাহান্নোটি হাড় বিদ্যমান। আমাদের শরীরে মোট দুইশো ছয় টি হাড় থাকে এবং পচিশ শতাংশের বেশি হাড় থাকে পায়ে।
চিংড়ির হৃদয়: বেশিরভাগ জীবের মাথায় তার ব্রেন থাকে , কিন্তু পৃথিবীতে এমন প্রাণী আছে যার হার্ট বা হৃদয় থাকে তার মাথায়। প্রাণীটির নাম হোলো চিংড়ি। চিংড়ি একধরণের জলজ প্রাণী এবং সুস্বাদু খাদ্য হিসাবে বহুল প্রচলিতো। চিংড়ি মিষ্টি এবং লবনাক্ত উভয় প্রকার জলাশয়ে পাওয়া যায়। চিংড়ির দশটি পা এবং শিরদাঁড়ার পরিবর্তে শরীর একধরণের খোলোস দ্বারা ঢাকা থাকে। খোলস ই চিংড়ির আকৃতি এবং বাইরের আঘাত থেকে রক্ষা করে। আপাতো দৃষ্টিতে দেখে চিংড়ির হৃদয় মাথায় আছে বোলে মনে হবে। কিন্তু আমরা যদি সঠিক এনাটমি অনুসরণ করি তাহোলে আমরা পাবো যে চিংড়ির হৃদয় মাথার ঠিক পরে তার থোরাক্সে বা বক্ষে আছে। শুধু হার্ট নয় , চিংড়ির অন্নান্য প্রয়োজনীয় অর্গ্যান যেমন পাকস্থলী , ভেঞ্চুরাল নার্ভ কর্ড ইত্যাদি মাথায় থাকে কারন চিংড়ির মাথার আবরন অনেক বেশি শক্ত। যেহুতু চিংড়ির মাথা এবং থোরাক্স একটি শক্ত খোলোস দ্বারা আবৃতো থাকে , সেজন্য থোরাক্স কে ভুলকোরে মাথা হিসাবে ধরা হয়। স্বাভাবিক ভাবে চিংড়ির হৃদয় তার মাথায় আছে বলে মনে হয়। আরেকটি মজাদার জিনিস হলো মানুষের যেমন রক্ত সঞ্চালনের জন্য দুই জোড়া প্রবেশিকা থাকে , একজোড়া ধমনী উপরের দিকে এবং আরেকজোড়া নিচের দিকে , তেমনি চিংড়ির সারাদেহে রক্ত সঞ্চালনের জন্য মোট তিন জোড়া প্রবেশিকা থাকে।
অল্পসময়ের জন্য হেডফোন ব্যবহার খারাপ নয় ,কিন্তু একটানা তিরিশ মিনিটের বেশি কানে হেডফোন লাগিয়ে ঘুমোনো খুবই ভয়ংকর। যখন আমরা হেডফোন কানে দিই , তখন আমরা আমাদের কানকে প্রাকৃতিক বাতাস থেকে আলাদা কোরে দিই , এভাবে আমরা যদি এক ঘন্টা কানে হেডফোন লাগিয়ে রাখি তাহোলে কানে ব্যাক্টেরিয়ার উৎপাদন সাতশো গুনের বেশি বাড়িয়ে দেয়। আমাদের কানের পর্দা এতো বেশি ব্যাক্টেরিয়া একসঙ্গে সহ্য করতে পারে না জন্য আমাদের কান তখন ব্যাথা করতে শুরু করে। এমনকি দীর্ঘসময়ের জন্য কানে শোনা বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
.jpg)


মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন