হুমকি টা কিসের: এখনকার সময়ে দুষ্ট লোকেরা কোনো ব্যাঙ্ক কর্মচারীর ইমেইল হ্যাক করে সেটি থেকে আপনার ইমেইল এ মেইল করে যাতে আপনার সন্দেহ না হয়। তারপর আপনার সঙ্গে ছলচাতুরী করে আপনার টাকা আপনাকে দিয়ে অন্য কোনও ব্যাঙ্ক অক্কোউন্টে পাঠায়। এই ভুতুড়ে মেইল দ্বারা হ্যাকার আপনার আর আপনার ব্যাঙ্ক এর ইমেইল কথোপকথন এ আড়িপাতে এবং সঠিক সময়ে হ্যাকার ইন্টারসেপ্ট করে আপনাকে মেইল করে, যেখানে আপনাকে কোনো একটি অজানা কারণ বলে এবং অন্য একটি অক্কোউন্টে টাকা জমা করতে বলে। আপনি মেইল এর নির্দেশ মেনে টাকা অন্য অক্কোউন্টে জমা দেন কারণ আপনি জানেন এটি ব্যাঙ্কের কর্মচারীর ইমেইল একাউন্ট এবং ব্যাংকের ঠিকানা এবং কন্টাক্ট নম্বর একই। একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে phishing ইমেইল পাঠানোর পরিমান অনেক বেড়ে গেছে এবং এটি ব্যাঙ্ক ছাড়াও অন্য কোন বড় সংস্থা কিংবা হাসপাতাল কিংবা ইউনিভার্সিটি হতে পারে।
কিছুদিন আগে স্কটল্যান্ডের এক চাষী , যে কয়েক হাজার পাউন্ড হারিয়েছেন। তিনি যখন তার চাষবাসের জন্য যন্ত্রপাতি কেনা বাবদ কিছু টাকা লোনের জন্য রিটেলের এবং ব্যাংকের সাথে দরাদরি করছিলেন ,মাঝপথে তিনি একটি ইমেইল পান ব্যাঙ্ক এর কর্মচারীর , যেখানে কিছু অসুবিধার জন্য অন্য অক্কোউন্টে টাকা জমা করার নির্দেশ ছিলো। কিছুদিন পর সে যখন রেটেলের সাথে যোগাযোগ করেন , যেহুতু সে টাকা জমা করেছে, কিন্তু রিটেইলার তাকে নিরাশ করে আবার টাকা চাইলে সে ব্যাঙ্কের সাথে যোগাযোগ করে যদিও টাকা সে আর ফেরত পাইনি। পরে ইমেইল গুলো পুনরায় পরীক্ষা করলে দেখা যায় ব্যাংকের অরিজিনাল এবং হ্যাকারের পাঠানো ইমেইল সাদৃশ। একইরকম ভাবে লেখা এমনকি ঠিকানা ও কন্ট্যাক্ট নম্বর ও এক সাথে সতর্ক বার্তা নকল হতে বাঁচুন। খুব অল্প পার্থক্য যা আমাদের কাছে ব্যাঙ্ক কর্মচারীর টাইপের ভুল বলে মনে হবে।
কিভাবে প্রতিরোধ করবেন: যখনই আপনি এরকম কোনো টাকা লেনদেনের মাঝপথে , তখন ঐ সংক্রান্ত কোনো ইমেইল পান এবং তাতে যদি আপনাকে অন্য কোনো ব্যাংকের অক্কোউন্টে টাকা জমা করতে বলে, তাহলে নিজে আপনার ব্যাংকে ফোন করুন অথবা আপনার ব্রাঞ্চে সোজা গিয়ে কথাবলুন। আপনার জমানো পেনশন কিংবা লোন পাবার মাধবর্তী সময় এরকম মেইল থেকে সাবধান থাকুন এবং কোনো কিছু করবার আগে যথাযথ কতৃপক্ষ কিনা যাচাই করুন।
কিছুদিন আগে স্কটল্যান্ডের এক চাষী , যে কয়েক হাজার পাউন্ড হারিয়েছেন। তিনি যখন তার চাষবাসের জন্য যন্ত্রপাতি কেনা বাবদ কিছু টাকা লোনের জন্য রিটেলের এবং ব্যাংকের সাথে দরাদরি করছিলেন ,মাঝপথে তিনি একটি ইমেইল পান ব্যাঙ্ক এর কর্মচারীর , যেখানে কিছু অসুবিধার জন্য অন্য অক্কোউন্টে টাকা জমা করার নির্দেশ ছিলো। কিছুদিন পর সে যখন রেটেলের সাথে যোগাযোগ করেন , যেহুতু সে টাকা জমা করেছে, কিন্তু রিটেইলার তাকে নিরাশ করে আবার টাকা চাইলে সে ব্যাঙ্কের সাথে যোগাযোগ করে যদিও টাকা সে আর ফেরত পাইনি। পরে ইমেইল গুলো পুনরায় পরীক্ষা করলে দেখা যায় ব্যাংকের অরিজিনাল এবং হ্যাকারের পাঠানো ইমেইল সাদৃশ। একইরকম ভাবে লেখা এমনকি ঠিকানা ও কন্ট্যাক্ট নম্বর ও এক সাথে সতর্ক বার্তা নকল হতে বাঁচুন। খুব অল্প পার্থক্য যা আমাদের কাছে ব্যাঙ্ক কর্মচারীর টাইপের ভুল বলে মনে হবে।
কিভাবে প্রতিরোধ করবেন: যখনই আপনি এরকম কোনো টাকা লেনদেনের মাঝপথে , তখন ঐ সংক্রান্ত কোনো ইমেইল পান এবং তাতে যদি আপনাকে অন্য কোনো ব্যাংকের অক্কোউন্টে টাকা জমা করতে বলে, তাহলে নিজে আপনার ব্যাংকে ফোন করুন অথবা আপনার ব্রাঞ্চে সোজা গিয়ে কথাবলুন। আপনার জমানো পেনশন কিংবা লোন পাবার মাধবর্তী সময় এরকম মেইল থেকে সাবধান থাকুন এবং কোনো কিছু করবার আগে যথাযথ কতৃপক্ষ কিনা যাচাই করুন।



এটি না পড়লে আমার ও টাকা চুরি হতো। আমিও এই প্রতারণার শিকার হতাম। ধন্যবাদ।
উত্তরমুছুন